ঢাকা: প্রকৌশলী নবম গ্রেড বা সহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদে প্রবেশের ক্ষেত্রে কোটা বা অন্য নামে সমমান পদ তৈরি না করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীরা।
তাদের দাবি, এসব পদের জন্য ন্যূনতম বিসিএস ডিগ্রিধারী হতে হবে এবং অবশ্যই নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার মধ্য দিয়ে আসতে হবে।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) বুয়েটের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের তারা এসব দাবি জানান। এর আগে সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন বুয়েটের শিক্ষার্থীরা। তারা ‘কোটা না মেধা; মেধা, মেধা’, ‘সিন্ডিকেটের কালো হাত, ভেঙ্গে দাও’ স্লোগ্নান দেন।
লিখিত বক্তব্যে তারা দাবি করেন, বর্তমানে প্রকৌশল খাতে চরম বৈষম্য চলছে। নিয়মবহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত পদোন্নতির কারণে বিএসসি প্রকৌশলীদের প্রবেশ পর্যায়ের পদ সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। ৯ম গ্রেডে সহকারী প্রকৌশলী পদে ডিপ্লোমাধারী উপসহকারী প্রকৌশলীরা নিয়মের বাইরে অভ্যন্তরীণ কোটার মাধ্যমে অতিরিক্ত পদোন্নতি পাচ্ছে। ফলে সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ পরীক্ষায় বিএসসি প্রকৌশলীদের প্রবেশ সংকুচিত হচ্ছে।
তারা বলেন, এমনকি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার পরও তা বাতিল করে ডিপ্লোমাধারী উপসহকারী প্রকৌশলীকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠানে পদোন্নতির হার শূন্য পদের বিপরীতে ৩৩ শতাংশ উল্লেখ থাকলেও তা লঙ্ঘন করে ৪০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে। ফলে নবম গ্রেডে প্রকৃত প্রবেশ পর্যায়ের পদগুলো কমে যাচ্ছে এবং বিএসসি প্রকৌশলীদের প্রবেশাধিকার বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। যা সংবিধানের সুযোগের সমতা নীতির পরিপন্থী।
তারা বলেন, ১০ গ্রেডে কেবল ডিপ্লোমাধারীরা আবেদন করতে পারেন। বাংলাদেশে ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক বিএনএফকিউ অনুসারে, ডিপ্লোমা ডিগ্রি লেবেল ছয়ের অন্তর্ভুক্ত; যেখানে বিএসসি লেবেল সাতের অন্তর্ভুক্ত। নিম্নতর লেবেলের ডিগ্রিধারী যেখানে আবেদন করতে পারেন, সেখানে উচ্চতর লেবেলের ডিগ্রিধারীরা আবেদনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। প্রতিবেশী দেশগুলোতেও এমন নেই।
এসব বিষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে তারা তিন দফা দাবি জানিয়েছেন, দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে,
তারা বলেন, ২০১৩ সাল থেকে এই আন্দোলন শুরু হয়েছে। যারা ডিপ্লোমায় আছে, তারা সে সময় একটি মব তৈরি করে তাদের এই দাবি আদায় করে নিয়েছে।