সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মোবাইলের পর্দায় আটকে থাকা একটি প্রজন্ম! ‘বাংলাদেশের ৯২ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে যুক্তরাজ্য’ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ ব্লাড ক্যান্সারে চবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু Aditya Dhar And Yami Gautam Leave Mumbai, Move Permanent Base To Himachal Pradesh: Report | Bollywood News EXCLUSIVE | Asian Games gold done, Neeru Dhanda eyes Olympic shotgun medal to end wait since Rajyavardhan Rathore’s 2004 silver | Asian Games 2026 News রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা ‘আজও কীভাবে ওসি লোকমান চাকরিতে আছেন’—প্রশ্ন সাবেক ছাত্রনেতা বিপ্লবের শ্যামনগরে সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকি আলেমদের সমাজের দায়িত্বও নিতে হবে: শফিকুর রহমান

কালিয়াকৈরে এসএসসি কেন্দ্র সচিব নিয়ে বিতর্ক, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৭৫ সময় দেখুন
কালিয়াকৈরে এসএসসি কেন্দ্র সচিব নিয়ে বিতর্ক, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর(গাজীপুর)প্রতিনিধি:

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র নির্ধারণ, দায়িত্ব বণ্টন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে গোলাম নবী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীরা নিজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে পারে না। দীর্ঘদিন ধরে ঐতিহ্যবাহী গোলাম নবী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পার্শ্ববর্তী কালিয়াকৈর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়ে আসলেও চলতি বছরে তাদের কেন্দ্র পরিবর্তন করে বেগম সুফিয়া মডেল হাই স্কুল নির্ধারণ করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের পেছনে অস্বচ্ছতা রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন অভিভাবকরা। তাদের দাবি, হঠাৎ কেন্দ্র পরিবর্তনের ফলে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বেড়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষ কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি।

এছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্র পরিচালনায়ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি কেন্দ্রে সাধারণত কেন্দ্র পরিচালনা কমিটি ও পরীক্ষা পরিচালনা কমিটি—এই দুই ধরনের কমিটি থাকে এবং শিক্ষা বোর্ড থেকে সরবরাহকৃত পরীক্ষা পরিচালনা ম্যানুয়াল অনুযায়ী দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে একজন সহকারী শিক্ষককে সহকারী হল সুপার হিসেবে নিয়োগ দিয়ে নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে প্রধান শিক্ষকদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অন্যদিকে, গত বছর এসএসসি পরীক্ষায় কেন্দ্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনে অনিয়মের অভিযোগে মোঃ সিরাজুল ইসলামকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে চলতি বছর আবারও তিনি কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন, যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

এছাড়াও তার বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের মাঠ গোপনে কোনো প্রকার প্রকাশ্য বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই টেন্ডার দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

এদিকে, সম্প্রতি স্থানীয় সাংবাদিকরা এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

তবে এ সকল অভিযোগের বিষয়ে মোঃ সিরাজুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর