রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মোবাইলের পর্দায় আটকে থাকা একটি প্রজন্ম! ‘বাংলাদেশের ৯২ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে যুক্তরাজ্য’ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ ব্লাড ক্যান্সারে চবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু Aditya Dhar And Yami Gautam Leave Mumbai, Move Permanent Base To Himachal Pradesh: Report | Bollywood News EXCLUSIVE | Asian Games gold done, Neeru Dhanda eyes Olympic shotgun medal to end wait since Rajyavardhan Rathore’s 2004 silver | Asian Games 2026 News রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা ‘আজও কীভাবে ওসি লোকমান চাকরিতে আছেন’—প্রশ্ন সাবেক ছাত্রনেতা বিপ্লবের শ্যামনগরে সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকি আলেমদের সমাজের দায়িত্বও নিতে হবে: শফিকুর রহমান

কালিয়াকৈরে রেলওয়ে জমি অবৈধভাবে দখল করে গড়ে তোলা শতাধিক দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে গ্রাম্যমান আদালত

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ২২৮ সময় দেখুন
কালিয়াকৈরে রেলওয়ে জমি অবৈধভাবে দখল করে গড়ে  তোলা শতাধিক দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে গ্রাম্যমান আদালত

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর)প্রতিনিধিঃ

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় রেলওয়ের জমি অবৈধভাবে দখল করে গড়ে তোলা শতাধিক দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার পূর্বচান্দরা মাটিকাটা রেললাইন বাজার, রতনপুর রেলস্টেশন ও ভান্নারা এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। এতে প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যের রেলওয়ের জমি উদ্ধার হয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এবং কালিয়াকৈর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাহিম শাহরিয়ারের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র রেললাইনের পাশের জমি দখল করে দোকানপাট ও টিনশেড স্থাপনা তৈরি করে ভোগদখল করছিল। এতে ট্রেন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছিল।
কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর স্বেচ্ছায় স্থাপনা সরিয়ে নিতে একাধিকবার নোটিশ ও মাইকিং করা হয়। কিন্তু নির্দেশ অমান্য করে স্থাপনা না সরানোয় বুধবার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, মাটিকাটা রেললাইন বাজারে ভাঙা টিন, বাঁশ, কাঠ ও ত্রিপল ছড়িয়ে আছে। শ্রমিকরা দড়ি টেনে টিনের চালা ও বেড়া ভেঙে ফেলছেন। অনেক ব্যবসায়ী মালপত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। উচ্ছেদ হওয়া দোকানের মধ্যে চায়ের দোকান, মুদি দোকান, ওয়ার্কশপ ও বসতঘর রয়েছে। রেললাইন থেকে মাত্র ১০-১২ ফুট দূরেই ছিল এসব স্থাপনা।

উচ্ছেদের শিকার লুৎফর রহমান ও হাবিবুর হৃদয় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা তো স্থানীয় নেতা ও রেলওয়ে কর্মচারীদের টাকা দিয়েই দোকান করেছি। আমাদের কাছে জমির যে লিজ আছে সেটা নাকি অবৈধ ও নকল। যারা লাখ লাখ টাকা নিয়ে নকল কাগজ দিল, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয় না কেন? আমরা গরিব মানুষ, সামান্য পুঁজি নিয়ে দোকান করেছিলাম। এখন পথে বসলাম।

বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা ও রেলওয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শফিকুল ইসলাম বলেন,দীর্ঘদিন ধরে রেলওয়ের জমি দখল করে স্থাপনা তৈরি করে ভোগদখল করছিল একটি চক্র।যা রেললাইন ও ট্রেন চলাচলের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ । সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা তৈরির কোনো নিয়ম নেই। তাই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এসব উচ্ছেদ করা হয়েছে। আমাদের এ উচ্ছেদ অভিযান সব সময় চলমান থাকবে। তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত জমির আনুমানিক বাজারমূল্য ৫ কোটি টাকা। নকল লিজের কাগজ দেওয়া চক্রটিকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

স্থানীয়দের দাবি, গত বছরের ৫ আগস্ট উচ্ছেদের পরও একই জায়গায় ফের দখল করে স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছিল। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পুনর্দখল ঠেকাতে নিয়মিত মনিটরিং করা হবে এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর