শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:১১ অপরাহ্ন

৯৫ শতাংশের বেশি স্কুলে এ মাসেই পৌঁছবে পাঠ্যবই

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২৪১ সময় দেখুন
৯৫ শতাংশের বেশি স্কুলে এ মাসেই পৌঁছবে পাঠ্যবই


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৯৫ শতাংশের বেশি বিনামূল্যের পাঠবই পৌঁছে যাবে।

তিনি বলেন, বাকি বই আগামী ৭ জানুয়ারির মধ্যে পৌঁছে যাবে। শিক্ষার্থীরা সময়মতো বই হাতে পেয়ে যাবে।

শিক্ষামন্ত্রী বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর মাতুয়াইলে ছাপাখানা পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‌‘১৭ কোটির বেশি বই বাঁধাই হয়ে গেছে। আগামী তিন-চারদিনের মধ্যে সবটাই হয়ে যাবে। তারপরও স্বল্প সংখ্যক বাদ থাকতে পারে। সেটিও আমরা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যে শিশুদের হাতে দিতে পারব।’

৯৫ শতাংশের বেশি স্কুলে এ মাসেই পৌঁছবে পাঠ্যবই

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘অতিমারির কারণে এ বছরও বই উৎসব করার মতো পরিস্থিতি আমাদের নেই। সব স্কুলেই ক্লাস ধরে ধরে বিতরণ করা হবে। যখন যে শিক্ষার্থীর বই পাওয়ার কথা সে সময় শিক্ষার্থীরা বই পাবে। এতে কোনো সমস্যা হবে না।’

দীপু মনি বলেন, ‘বই ছাপার কাজ সবটুকুই শেষ হয়ে গেছে। এনসিটিবির পক্ষ থেকে সপ্তাহে দুই দিন প্রেস পরিদর্শনে আসে। ২০০টি প্রেসে কাজ চলছে। এর মধ্যে মাধ্যমিকের বই ছাপানো হয়েছে ১৫৮টি প্রেসে। আর প্রাথমিকের বই ছাপা হয়েছে ৪২টি প্রেসে। যে প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তারা নিয়মিত পরিদর্শনে আসে।’

২০২৩ সাল থেকে দেশে নতুন শিক্ষাক্রম শুরু হচ্ছে। ২০২২ সালে নতুন শিক্ষাক্রমের পাইলটিং করা হবে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের ৬০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন শিক্ষাক্রমের পাইলটিং শুরু হবে।

৯৫ শতাংশের বেশি স্কুলে এ মাসেই পৌঁছবে পাঠ্যবই

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ‘নিম্নমানের বই দিলে সরবরাহকারী মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পুরোপুরি ক্লাস শুরু করার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ওমিক্রন নিয়ে এখনও শেষ কথা বলার সময় আসেনি। আমরা ইউরোপ, আমেরিকায় দেখছি ব্যাপকভাবে ওমিক্রন ছড়াচ্ছে। আমাদের আরও একটু দেখার দরকার। আমরা ভালো আছি, কিন্তু আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়ে মার্চ মাসে। কাজেই মার্চ না আসা পর্যন্ত আমরা বলতে পারব না আমরা নিরাপদ কি না? অন্য প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক অবস্থায় যাওয়া যাবে না। আমরা স্কুলকে বলতে পারি না, শিক্ষার্থী অর্ধেক বাড়িয়ে দাও। মার্চে যদি না করোনা বাড়ে তাহলে আমরা বলতে পারি, পুরো সময় ধরে বিদ্যালয় চলবে।’

সারাবাংলা/টিএস/একে





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর