বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১২ অপরাহ্ন

ব্লগার অনন্ত বিজয় হত্যা মামলায় ৪ আসামির মৃত্যুদণ্ড – Corporate Sangbad

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০২২
  • ২০৩ সময় দেখুন
ব্লগার অনন্ত বিজয় হত্যা মামলায় ৪ আসামির মৃত্যুদণ্ড – Corporate Sangbad


নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেটে বিজ্ঞান লেখক ও ব্লগার অনন্ত বিজয় দাশ হত্যা মামলায় ৪ আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৭ বছর পর এই রায় ঘোষণা করা হলো। এ মামলায় খালাস পেয়েছে একজন। এছাড়া দণ্ডপ্রাপ্তদের ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত।

বুধবার (৩০ মার্চ) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে সিলেটের সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক নুরুল আমীন বিপ্লব এ রায় ঘোষণা করেন।

এদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ২ আসামি শফিউর রহমান ফারাবী ও আবুল খায়ের রশীদ আহমেদকে আদালতে হাজির করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের বিরেন্দ্রনগরের (বাগলী) মামুনুর রশীদ, কানাইঘাটের পূর্ব ফালজুর গ্রামের মান্নান ইয়াইয়া ওরফে মান্নান রাহী ওরফে এ বি মান্নান ইয়াইয়া ওরফে ইবনে মঈন, কানাইঘাটের ফালজুর গ্রামের আবুল খায়ের রশীদ আহমদ এবং সিলেট নগরের রিকাবীবাজার এলাকার সাফিউর রহমান ফারাবী ওরফে ফারাবী সাফিউর রহমান। এদের মধ্যে মামুনুর রশীদ পলাতক রয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১২ মে সিলেট নগরের সুবিদবাজারে নুরানি আবাসিক এলাকার নিজ বাসার সামনে খুন হন অনন্ত। পেশায় ব্যাংকার অনন্ত বিজ্ঞান নিয়ে লেখালেখির পাশাপাশি যুক্তি নামে বিজ্ঞানবিষয়ক একটি পত্রিকা সম্পাদনা করতেন। এ ছাড়া বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। হত্যাকাণ্ডের পর অনন্তের বড় ভাই রতেশ্বর দাশ বাদী হয়ে সিলেট বিমানবন্দর থানায় অজ্ঞাতনামা চারজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। এতে বিজ্ঞান বিষয়ে লেখালেখির কারণে অনন্তকে ‘উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠী’ পরিকল্পিতভাবে খুন করেছে বলে অভিযোগ করা হয়।

তাদের মধ্যে ফারাবী ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। অভিযুক্ত আসামিদের মধ্যে মান্নান রাহী আদালতে অনন্ত হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। ২০১৭ সালের ২ নভেম্বর মান্নান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। আসামিদের মধ্যে আবুল হোসেন, ফয়সাল আহমদ ও মামুনুর রশীদ পলাতক রয়েছেন।

এই মামলায় সাক্ষী ছিলেন ২৯ জন। তবে সাক্ষীদের আদালতে হাজির করতে না পারায় অন্তত ১৫ দফা পেছায় মামলার শুনানি। এ ছাড়া করোনার কারণেও দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল মামলার কার্যক্রম।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর