শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ন

‘শিশুরা স্কুলেই পাবে করোনার ভ্যাকসিন’

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ২৫ আগস্ট, ২০২২
  • ১৩৬ সময় দেখুন
‘শিশুরা স্কুলেই পাবে করোনার ভ্যাকসিন’


সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: দেশে নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে পাঁচ থেকে ১১ বছর বয়সীদের ভ্যাকসিন প্রয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়েছে আজ (বৃহস্পতিবার, ২৫ আগস্ট)। এই বয়সসীমার শিশুরা স্কুলেই করোনা ভাইরাস প্রতিরোধী ভ্যাকসিন পাবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর নীলক্ষেত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করে গণমাধ্যমকর্মীদের এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘নিরাপদে শিক্ষা প্রদানের জন্য সরকার ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী সব শিশুকে ভ্যাকসিন দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। স্কুলেই ভ্যাকসিন পাবে শিশুরা।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ভ্যাকসিন নিতে পারবে। শিশুদের এ ভ্যাকসিন কার্যক্রমের প্রথম ১২ দিন স্কুলে এবং পরবর্তী দু’দিন স্কুলের বাইরে বিভিন্ন বুথ ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। স্কুলপড়ুয়া এবং বিদ্যালয় বহির্ভূত শিশুদের ভ্যাকসিন কার্যক্রমের আওতায় আনতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে। তবে বুথে এসে রেজিস্ট্রেশন করেও ভ্যাকসিন নেওয়ার সুযোগ থাকছে।’

এ সময় শিশুদের ভ্যাকসিন দিতে অভিভাবকদের প্রতি জন্মনিবন্ধন করার অনুরোধ জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আজ দেশের ১২টি সিটি করপোরেশনের ১৮৬টি কেন্দ্রে আজ পরীক্ষামূলকভাবে পাঁচ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের করোনার টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনে ২১টি কেন্দ্রে শিশুদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। একইসঙ্গে বিদ্যালয় বহির্ভূত শিশুদেরও করোনা ভ্যাকসিনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ এখনো করোনার ভ্যাকসিন দিতে পারেনি। সেদিক থেকে আমরা ভ্যাকসিন প্রয়োগ কার্যক্রমে সফল। প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এটি সম্ভব হয়েছে। শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা চিন্তা করেই শিশুদের করোনা ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হচ্ছে।’

ভ্যাকসিন নেওয়ার পর শিশুদের স্বাস্থ্যগত কোনো সমস্যা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গেই ইমার্জেন্সি মেডিকেল টিম সেবা দেবে। তবে এমন সম্ভাবনা খুবই কম বলেও মন্তব্য করেন মো. জাকির হোসেন। এ সময় তার সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সারাবাংলা/এসবি/পিটিএম





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর