শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:১৮ অপরাহ্ন

ঢাবিতে গানে-উৎসবে চৈত্র সংক্রান্তি উদযাপন

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১১০ সময় দেখুন
ঢাবিতে গানে-উৎসবে চৈত্র সংক্রান্তি উদযাপন


ঢাবি করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: উৎসব আবহে ১৪২৯ বঙ্গাব্দের সর্বশেষ দিন পালন করেছেন উন্মুক্ত লাইব্রেরি। বাংলা মাসের সর্বশেষ দিনটিকে চৈত্র সংক্রান্তির দিন বলা হয়। উন্মুক্ত লাইব্রেরি এই দিনটিকে ‘চৈত্র সংক্রান্তি উৎসব ১৪২৯’ হিসেবে উদযাপন করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে টিএসসির সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্য-সংলগ্ন উন্মুক্ত লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে লোক সংগীত ও আধুনিক গান পরিবেশনের মাধ্যমে বাংলা মাসের এই শেষ দিনটিকে উদযাপন করেন সংশ্লিষ্টরা।

উন্মুক্ত লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক মোছাদ্দেক বিল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সভাপতি সজিব তালুকদার। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হওয়া এই আয়োজনে গান পরিবেশন করেছে ব্যান্ড ‘কৃষ্ণপক্ষ’, ’আপন ঘর’, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তৈরি নতুন ব্যান্ড ‘লৌকিক’ এবং ঢাবি শিক্ষার্থী মাহাদী হাসান ও সালামান।

ঢাবিতে গানে-উৎসবে চৈত্র সংক্রান্তি উদযাপন

বই পড়া, মানুষের মধ্যে বই চর্চার আবহ তৈরির পাশাপাশি সাংস্কৃতিকভাবে মানুষকে চিন্তাশীল করে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে ২০২২ সালে উন্মুক্ত লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের টিএসসি-সংলগ্ন গেইটে ময়লার ভাগাড়কে রূপান্তর করা হয় লাইব্রেরিতে।

লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাতা ডাকসুর সাবেক সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত বলেন, ‘চৈত্র সংক্রান্তি বাঙালির লোকজ সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে এক সময় পালা-পার্বন কিংবা হালখাতার উৎসব হতো। কিন্তু বর্তমানে একটা শ্রেণি আমাদের সংস্কৃতিকে ধর্মের সঙ্গে সাংর্ঘষিক হিসেবে দেখাতে চায়। তাদের জন্য এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাসেজ হলো— এই উৎসব কোনো ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, বাঙালি সংস্কৃতির দিক থেকে আমরা এটি পালন করছি এবং এটি আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, চৈত্র সংক্রান্তির মাধ্যমে আমাদের বাংলাদেশে অসাম্প্রদায়িক চেতনা লালিত হবে।’

সারাবাংলা/আরআইআর/পিটিএম





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর