জাহেদুল ইসলাম, কুতুবদিয়া:
কুতুবদিয়ার ধূরুংবাজারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৯ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ধূরুংবাজারের উত্তর মাথায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন— মুহাম্মদ ছৈয়দ (৫০), আবদুর রশিদ প্রকাশ নাগু মাঝি (৫৫), দেলোয়ার হোছাইন (৪৫) পিতা সিরাজুল মোস্তফা, মুহাম্মদ সায়েম (৫০) পিতা আবদুর রশিদ প্রকাশ নাগু মাঝি, আবু তাহের (৫০) পিতা ছিদ্দিক আহমদ, সালমা বেগম (৩০) স্বামী নুরুল আবছার ও মুহাম্মদ কাইয়ুম (২২) পিতা আবদুর রশিদ মাঝি। সকলেই মদন মিয়াজির পাড়া, উত্তর ধূরুং গ্রামের বাসিন্দা।
আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয়রা কুতুবদিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার স্থানীয় ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার হোছন আলীর ছেলেরা আবদুর রশিদ প্রকাশ নাগু মাঝিকে “ডেবিল” তথা আওয়ামী লীগ পরিচয় দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে পুলিশ যাচাই-বাছাই করে দেখে তিনি কোনো পদধারী আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী নন—এ কারণে তাকে ছেড়ে দেয় থানা পুলিশ ।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার রাতে মনছুর আলম, জামাল হোছাইন, ফেরদৌস, হারুন, মোরশেদ, আশেক, মীর কাশেম, নুরুল ইসলামসহ আরও কয়েকজন সন্ত্রাসি কায়দায় রশিদ মাঝি,তার ভাই ও ছেলের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায় বলে প্রত্যক্ষদর্শিরা জানিয়েছেন। প্রতিপক্ষেও আহত রয়েছে বলে অভিযোগ করলেও হাসপাতালে ভর্তি হয়নি কেহ।
ধূরুং ইউনিয়নবাসীর মধ্যে এ ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
কুতুবদিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আরমান হোসেন বলেন, “আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উল্লেখ্য জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে সন্ত্রাসিদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন একই গ্রামের ৬৫ বছরের বৃদ্ধ আলতাফ হোসেন। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।
(৭ নভেম্বর-২০২৫)