রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Jailer 2 Box Office Day 17: Rajinikanth’s Film Picks Up Pace In Third Weekend, Nears ₹445 Crore | Regional Cinema News ‘Not good news’: Ex-India star questions India’s handling of Vaibhav Sooryavanshi | Cricket News ক্রসফায়ার শুরু হলে বিএনপির নেতাকর্মীদের খুঁজে পাওয়া যাবে না: হাসনাত কালিয়াকৈরে শ্রমিকের মহাসড়ক অবরোধে দীর্ঘ ৬ ঘন্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক লক্ষ্মীপুরে ৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ চাঁপাইনবাবগঞ্জে আলিমে জিপিএ-৫ মাত্র ২, পিছিয়ে ২৬ মাদরাসা CJP’s Abhijeet Dipke Attends Diljit Dosanjh’s Concert After ‘I’m An Artist’ Row: ‘Chota Bhai Samajh Ke Mitti Pao’ | Bollywood News Nemesis No. 1! Mitchell Santner scripts history, enters record books against India | Cricket News তরুণ চিকিৎসকদের গতানুগতিক ধারার বাইরে চিন্তা করতে হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ৭ দফা দাবিতে ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ শনিবার

ক্রসফায়ার শুরু হলে বিএনপির নেতাকর্মীদের খুঁজে পাওয়া যাবে না: হাসনাত

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩৪ সময় দেখুন
ক্রসফায়ার শুরু হলে বিএনপির নেতাকর্মীদের খুঁজে পাওয়া যাবে না: হাসনাত


যশোর: ‘বিএনপি সরকার যদি ক্রসফায়ার দেওয়া শুরু করে, তাহলে তাদের দলের একজন নেতাকর্মীকেও খুঁজে পাওয়া যাবে না’—এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।

তিনি বলেন, ‘ক্রসফায়ার দিতে হলে চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের দিতে হবে। যারা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদা নেয়, চাকরির কথা বলে ঘুষ নেয়, তাদের ক্রসফায়ার দিতে হবে। আর পুলিশ যখন এই ক্রসফায়ার দেবে, তখন আপনাদের নিজ দলের ব্যক্তিদেরই দিতে হবে।’

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় যশোর শহরের মুড়লি মোড়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-যশোর-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চের পথসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিএনপির সবাই চাঁদাবাজি করে না—এটা যেমন সত্য, আবার যারা চাঁদাবাজি করে, তারা প্রত্যেকেই বিএনপি—এটিও তেমন সত্য।’

তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানকে ফিটনেসবিহীন গাড়িতে তুলে দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশ নামক গাড়িটির ইঞ্জিন নষ্ট করে দিয়েছে। তাই রাষ্ট্র সংস্কার ছাড়া বাংলাদেশ সঠিকভাবে চলতে পারবে না।’

দেশে নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে দাবি করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আজ এমন এক পরিস্থিতিতে আপনাদের সামনে কথা বলতে এসেছি, যখন বাংলাদেশের প্রত্যেকটি প্রান্তে নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ বিরাজ করছে। যেখানে আমাদের মন খারাপ করার অধিকার নেই, যেখানে আমরা নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে কথা বলি, নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলি, তখন দেখতে পাই বিএনপি সরকার পুলিশ দিয়ে বাসা থেকে জোর করে উঠিয়ে নিয়ে যায়।’

ময়মনসিংহে সাথী আক্তার নামে এক নারীকে পুলিশ বাসা থেকে তুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। হাসনাত বলেন, ওই নারী বিএনপিকে ভোট দিয়ে ভুল করেছেন এবং দলটিকে ভোট দেওয়া উচিত হয়নি বলে ফেসবুক লাইভে বক্তব্য দিয়েছিলেন। এরপর পুলিশ তাকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এমন এক সময়ে কথা বলছি, যখন প্রতিবাদ করলে আইজিপি আমাদের ক্রসফায়ারের ভয় দেখান।’

দেশের কর্মসংস্থান সংকট নিয়ে সরকারের সমালোচনা করে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছেলেরা পড়াশোনা শেষ করে চাকরির আশায় ঘরে ঘরে যেতে হয়, দুয়ারে দুয়ারে ফিরতে হয়, কিন্তু চাকরি নেই।’

জাপান সফর শেষে এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির বিষয়ে সরকারের প্রচারিত তথ্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘জাপান নাকি এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে। কিন্তু জাপান সরকার বলেছে, তাদের সঙ্গে এমন কোনো চুক্তি হয়নি।’

মালয়েশিয়া সফর নিয়েও একই ধরনের বক্তব্য দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন হাসনাত। তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়া থেকে ফিরে এসে বলা হলো, দুই লাখ কর্মসংস্থান করা হবে। কিন্তু মালয়েশিয়া বলল, এমন কোনো চুক্তি হয়নি।’

সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের মানুষ ভাত চায়, কর্মসংস্থান চায়, নিরাপদে বাঁচতে চায়। বিএনপি সরকার, আমাদের বাঁচতে দিন, আমাদের কর্মসংস্থান দিন। না হলে দেশের জনতা আবার রাস্তায় নেমে আসবে।’

রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাঠামোগত সংস্কারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ার অভিযোগ তুলে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, নির্বাচনের আগে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো সংস্কারের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের লোকজনকে সোনালী, রূপালী, জনতা ও অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘অথচ এই ব্যাংকগুলো ঋণখেলাপিদের কারণে সংকটে পড়েছে। ব্যাংকগুলোকে আবার ঘুরে দাঁড় করানোর কোনো প্রকল্প এই বিএনপি সরকারের নেই।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিকল্পনা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘জনাব তারেক রহমান এসে বলেছিলেন, “হি হ্যাজ এ প্ল্যান”। কিন্তু আমরা দেখতে পেলাম, তার এমন পরিকল্পনা, যেখানে নেতার হাতে কর্মীকে খুন হতে হয়। এমপির ছেলের হাতে কর্মীকে খুন হতে হয়। নিজের দলের হাতে নিজের দলের নেতাকর্মীদের খুন হতে হয়। এই ধরনের মাস্টারপ্ল্যান আমরা চাইনি। আমরা চেয়েছিলাম দেশ গড়ার পরিকল্পনা। কিন্তু দেখতে পেলাম, বিএনপির কোনো পরিকল্পনাই নেই।’

দুপুর থেকে শুরু হওয়া এ পথসভায় সভাপতিত্ব করেন যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও যশোর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক গোলাম রসুল। সভায় আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, নায়েবে আমির হামিদ হোসেন আজাদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির মুখপাত্র রাশেদ প্রধান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম প্রমুখ।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর