বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন

সিআইডির নয়ন কুমার তদন্ত কার্যক্রম চালাতে পারবে না – Corporate Sangbad

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩২৬ সময় দেখুন
সিআইডির নয়ন কুমার তদন্ত কার্যক্রম চালাতে পারবে না – Corporate Sangbad


নিজস্ব প্রতিবেদক : বগুড়ায় ছোট ভাইকে হত্যায় ১২ বছর বয়সী বড় ভাইয়ের কাছ থেকে ‘জোর করে’ স্বীকারোক্তি নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা নয়ন কুমার আপাতত কোনো তদন্ত কার্যক্রম চালাতে পারবেন না বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। নয়ন কুমার মামলাটির সাবেক তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি সেসময় সারিয়াকান্দি থানার উপ-পরিদর্শক ছিলেন ও বর্তমানে নাটোরে সিআইডির পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত আছেন।

সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

আইনজীবী জানান, সিআইডির পরিদর্শক নয়ন কুমার এদিন আদালতে হাজির ছিলেন। আর বগুড়া থেকে আদালতের কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা বগুড়ার পিবিআইয়ের উপ-পরিদর্শক মো. মনসুর আলী।

এর আগে গত ২২ আগস্ট লিখিত ব্যাখ্যা দিয়ে হাইকোর্টে ক্ষমা চেয়েছিলেন মামলাটির সাবেক তদন্ত কর্মকর্তা নয়ন কুমার।

এ বিষয়ে শুনানির জন্য ৬ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে নয়ন কুমারকে সশরীরে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেন। সেইসঙ্গে অপর তদন্ত কর্মকর্তাকে ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকার আদেশ দেন। গত ২৯ জুন এ বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে সারিয়াকান্দি থানার সাবেক উপ-পরিদর্শক নয়ন কুমারকে তলব করেন হাইকোর্ট। অপর তদন্ত কর্মকর্তাকেও তলব করা হয়।

জোর করে ১২ বছর বয়সী শিশুর স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়। এতে বগুড়ার আদালতে থাকা ওই হত্যা মামলার যথার্থতা ও আইনি দিক পর্যালোচনায় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ আইনজীবী ২০ জুন ওই আবেদন করেন, যা ২১ জুন শুনানি হয়। সেদিন আদালত ২৯ জুন শুনানির জন্য রাখেন। ওইদিন ওই দুই তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করে আদেশ দেন হাইকোর্ট।

২০১৫ সাল থেকে ছোট ভাইকে হত্যার দায় নিয়ে ঘুরতে হচ্ছে ১২ বছর বয়সী বড় ভাইকে। সে বছর ২৫ আগস্ট বগুড়ার কাটাখালি গ্রামের একটি পাটক্ষেত থেকে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে পুলিশ বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায় তার বড় ভাইকে। জোর করে হত্যার স্বীকারোক্তিও নেয়া হয়।

এ মামলায় এখন বাড়িছাড়া পুরো পরিবার। এদিকে সন্তান হত্যা এবং আরেক সন্তানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ থেকে রক্ষা পেতে কোথাও সহায়তা না পেয়ে পরিবারটি এখন দিশেহারা।



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর