বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

ইবিতে একই কক্ষ থেকে সহকারী জজ হলেন ৩ বন্ধু

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪০ সময় দেখুন
ইবিতে একই কক্ষ থেকে সহকারী জজ হলেন ৩ বন্ধু


ইবি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাদ্দাম হোসেন হলের একই কক্ষে থাকা ৩ বন্ধু বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তারা আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ১৬তম বিজেএস পরীক্ষায় একজন এবং ১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় দু’জন সুপারিশপ্রাপ্ত হন।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়ের ওয়েবসাইটে ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) সহকারী জজ নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়। এতে সারা দেশে সর্বমোট ২০০ শিক্ষার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এছাড়া ইবি থেকে সুপারিশকৃত হয়েছেন ১৯ শিক্ষার্থী।

জানা যায়, সুপারিশপ্রাপ্ত ৩ বন্ধু হলেন আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের আরিফ হোসাইন (১৬তম বিজেএস) এবং একই শিক্ষাবর্ষের সাকির আলম ও আনোয়ার হোসাইন (১৮তম বিজেএস)। তারা তিনজনই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদ্দাম হোসেন হলের ৪২২ নম্বর কক্ষে থাকতেন বলে জানা গেছে।

সুপারিশপ্রাপ্ত সিভিল জজ শাকির আলম বলেন, ‘প্রথমেই মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, তিনি আমাকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছেন। টানা ২ বার ব্যর্থ হওয়ার পরও হাল ছাড়িনি। তৃতীয়বারের চেষ্টায় উত্তীর্ণ হয়েছি। কুরআনের সেই আয়াত মনে পড়ে যায় যে, শীঘ্রই তোমার রব তোমাকে এত বেশি দেবেন যে, তুমি খুশি হয়ে যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকেই আমার ইচ্ছে ছিল একদিন বিচারক হয়ে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবো। পরিবার ও সমাজের এ ব্যাপারে উৎসাহিত করতে অবদান আছে। পাশাপাশি উৎসাহিত হয়েছি বিশ্ববিদ্যালয়ের বড়ো ভাই-আপুদের সুপারিশপ্রাপ্ত হতে দেখে। আমার সবচেয়ে বড় ভালো লাগার বিষয় সাদ্দাম হোসেন হলের ৪২২ নম্বর রুম থেকে আমরা ৩ জনই জজ হয়েছি।’

১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) সহকারী জজ নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্তাবে সুপারিশকৃত অন্যরা হলেন, আইন বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আসিফ ইসলাম ও শফিক শোভন ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাদিয়া আফরিন, ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের হুমায়ন কবির ও সালমা খাতুন, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শারমিন খাতুন, মেহবুবা মোহিনী, রফিকুজ্জামান, ইয়াসমিন খাতুন, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী লিখন ও ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আমজাদ হোসেন।

এছাড়া ল’ অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তৌহিদুল ইসলাম ও এ এইচ হাবিব, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের নুসরাত জাহান তানী ও ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রুকনুজ্জামান রায়হান এবং আল ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাজু আহমেদও সহকারী জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর